সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮ ২:১৭ পূর্বাহ্ন

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন নিউজ সাইটে আপনাকে স্বাগতম । upnnews24.com নিয়মিত ভিজিট করুন।কারণ,আমরা বুঝি আপনার সংবাদের প্রয়োজনটা।

জানেন কি সোয়াট কি ? উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন

স্টাফ রিপোর্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: ইংরেজি Special Weapons And Tactics এর সংক্ষেপ নাম SWAT বা সোয়াট।

পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াট। সূত্রমতে, বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করতে ২০০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গঠন করা হয় সোয়াট। শুরুতে এর সদস্য ছিল ২৪ জন। ২০০৮ সালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বাছাই করা ২৪ জনের একটি টিমকে বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য আমেরিকা পাঠানো হয়। প্রশিক্ষণ শেষে আমেরিকার পক্ষ থেকে এই টিমের জন্য প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক অস্ত্র, গুলি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মূল্যবান সরঞ্জাম দেয়া হয়।

দেশে ফিরে প্রশিক্ষণপ্ রাপ্তরা সোয়াট নামে গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করে। গোয়েন্দা পুলিশের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিম, স্পেশাল হুইপন্স অ্যান্ড ট্যাক্টিকসের সংক্ষিপ্ত রূপ (সোয়াট)। সোয়াট গঠন করা হয়েছে মূলত বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ মোকাবিলার জন্য। যেখানে মুখোমুখি গুলিবিনিময় থেকে শুরু করে নানা ধরনের ঝুঁকি থাকে। এই টিমকে পৃথক একটি ব্যাটালিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবেই এর শক্তি বাড়ানো হচ্ছে। সূত্রমতে, সোয়াট টিমের সব সদস্য এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র স্টেট ডিপার্টমেন্টের এন্টি টেররিজম অ্যাসিসট্যান্ট প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

ট্রেনিংয়ে এ পর্যন্ত জনপ্রতি ২৮ লাখ টাকা করে খরচ হয়েছে। কারো কারো পেছনে খরচ হয়েছে ৫৬ লাখ করে টাকা। এর পুরোটাই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য শারীরিক সক্ষমতার দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য শারীরিক সক্ষমতার দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিয়োগ: খুবই শক্তপোক্ত নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।

আকৃতি: সব সোয়াট টিমই পঁচিশ থেকে পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ।

গোপনীয়তা: কোন অপারেশনের কথা জানা যায় না, স্ট্রিট ডিউটি (যা মূলত শো অফ) এই দেখা গেছে বাংলাদেশের সোয়াটদের।

কাজের ক্ষেত্র: ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত।

বিশেষায়িত অস্ত্র: মার্কিন সোয়াট ও মেরিন স্ট্যান্ডার্ডের সব অস্ত্র। হামভি জিপও । বাংলাদেশ

 

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন অনুসরণ করুন:-

Leave a Reply